তবে গতকাল বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদর কমার মধ্য দিয়ে সূচকের পতন হয়। যদিও এদিন পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। এতে লেনদেনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার দেখা মেলে। কিন্তু লেনদেনের শেষদিকে ব্যাংক ও বীমা কোম্পানিগুলোর শেয়ার দাম গড়পড়তা পড়তে থাকে। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে অন্য খাতেও। ফলে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দরপতন দিয়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়।
এদিন ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১৩৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ২১৫টির। আর ৪৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৬৬টির শেয়ার দার বেড়েছে। বিপরীতে ১২৪টির দাম কমেছে এবং ২৮টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৬ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৪৪৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৫ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১২৩ পয়েন্টে নেমে গেছে। তবে ডিএসই শরিয়াহ সূচক দশমিক ৭০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৯০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
টাকার অঙ্কে মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ২৪৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১ হাজার ১৭৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। এ হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ৬৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা। এর মাধ্যমে ২০২৪ সালের ১১ আগস্টের পর ডিএসইতে গতকাল সর্বোচ্চ লেনদেন হলো। ২০২৪ সালের ১১ আগস্টের পর ডিএসইতে ২ হাজার ১০ কোটি ৮ লাখ টাকার লেনদেন হয়। এরপর আর ২ হাজার কোটি টাকার লেনদেনের দেখা মেলেনি।