রুমিন ফারহানার সঙ্গে অপু বিশ্বাসের ছবি ঘিরে আলোচনা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা-র সঙ্গে তোলা একটি ছবি প্রকাশ করে আলোচনায় এসেছেন ঢালিউড চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।


শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক স্টোরিতে রুমিন ফারহানার সঙ্গে তোলা একটি ছবি শেয়ার করেন অপু বিশ্বাস। সেখানে তিনি নবনির্বাচিত নেত্রীকে অভিনন্দন জানান। নারী নেতৃত্বের জয়ে সমর্থন জানিয়ে দেওয়া এই শুভেচ্ছা বার্তা অনেকের নজর কাড়ে।

অনেক নেটিজেন বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখেছেন। তাঁদের মতে, একজন নারী রাজনীতিকের সাফল্যে আরেকজন জনপ্রিয় নারীর শুভেচ্ছা জানানো স্বাভাবিক ও প্রশংসনীয়।


সমালোচনাও কম নয়

তবে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনাও দেখা গেছে। কেউ কেউ মনে করছেন, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে অপু বিশ্বাস নিজেকে একটি বিশেষ অবস্থানে তুলে ধরতে চাইছেন।

আরেক অংশের মন্তব্য, তারকাদের রাজনৈতিক ছবি বা প্রতিক্রিয়া অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক তৈরি করে।


অপু বিশ্বাসের অবস্থান

এ বিষয়ে অপু বিশ্বাসের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, রুমিন ফারহানার জয়কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাই একজন শিল্পী হিসেবে শুভেচ্ছা জানানো স্বাভাবিক বিষয়।

অপু বিশ্বাস মনে করেন, শক্তিশালী চলচ্চিত্রশিল্প দেশের সংস্কৃতি ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে তিনি চলচ্চিত্রাঙ্গনের সার্বিক উন্নয়নের প্রত্যাশা করেন।


নির্বাচনের প্রেক্ষাপট

উল্লেখ্য, বিএনপি থেকে বহিষ্কারের পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন রুমিন ফারহানা। তিনি এক লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থীকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেন।

জয়ের পর থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে শুভেচ্ছা পাচ্ছেন জাতীয় রাজনীতির এই পরিচিত মুখ। সেই ধারাবাহিকতায় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসের শুভেচ্ছা বার্তাও যুক্ত হয়েছে।


রাজনীতি ও শোবিজ—দুই অঙ্গনের দুই পরিচিত মুখের একসঙ্গে তোলা একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। কেউ দেখছেন সৌজন্য বিনিময় হিসেবে, কেউবা করছেন সমালোচনা। তবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন রুমিন ফারহানার বিজয় এবং তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *