নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদের শপথ দ্রুত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, “খুব দেরি হলেও এটি ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হবে। এর পরে আর হবে না।”
শনিবার দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমি-তে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান তিনি।
শপথের প্রস্তুতি
প্রেস সচিব জানিয়েছেন, শপথের প্রস্তুতির কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। গতকাল (শুক্রবার) থেকেই বিভিন্ন প্রস্তুতি চলছে। নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট আজ প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি বলেন, “বাকি কাজগুলো দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টা ও টিম কাজ করছেন, ক্যাবিনেট কাজ করছে।”
কে শপথ পড়াবেন?
শপথ কে পড়াবেন—এ বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, “এটি পরে জানানো হবে। তবে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের শপথ ১৭ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন হবে।”
বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বা তাঁর মনোনীত ব্যক্তি শপথ পড়াবেন। তিন দিনের মধ্যে এটি না হলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) শপথ করাবেন।
সরকারি সূত্র জানাচ্ছে, শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পদত্যাগের পর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তাই গেজেট প্রকাশের পর সিইসিকে দিয়ে শপথ করানোও সম্ভব।
রাজনৈতিক দলগুলো যদি বিকল্প প্রস্তাব দেয়, তা হলে শপথ দ্রুত নেবে নবনির্বাচিত সদস্যরা। সেক্ষেত্রে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন শপথ পড়াবেন।
নির্বাচনের প্রেক্ষাপট
২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়ী হয়েছে। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থী এগিয়ে আছেন।
জোটের শরিকরা আরও তিনটি আসনে জয়ী। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন পেয়েছে। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্য শরিকরা ৯টি আসনে জয় পেয়েছে।
শপথের প্রস্তুতি তদারকি করা হচ্ছে দ্রুতগতিতে। ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে নতুন সংসদ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।