যাচাই ছাড়া ভোজ্যতেলের দাম বাড়বে না

ব্যবসায়ীদের দাবির বিষয়ে পরিস্থিতি দেখে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট :

ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে যাচাই-বাছাই ছাড়া ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেছেন, ব্যবসায়ীরা ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর দাবি জানালেও সরকার হুট করে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না। বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো যাচাই করে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সিলেটে একটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কিছুটা কমে যাওয়ায় ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা আবারও ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়ে সরকারের কাছে প্রস্তাব দিয়েছেন।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে দাম বাড়ানোর দাবি এলেও সরকার বিষয়টি বুঝে-শুনে দেখবে। প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই এবং বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনার পরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

হুট করে দাম বাড়ানোর সুযোগ নেই

ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়া হঠাৎ করে দাম বাড়ানো হবে না।

তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা তাঁদের দাবির পক্ষে বিভিন্ন কারণ তুলে ধরতে পারেন। তবে শুধু দাবি জানানো হলেই সরকার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেবে না।

বাজারের প্রকৃত পরিস্থিতি কী, ভোজ্যতেলের সরবরাহ কোথায় কমেছে, সরবরাহ কমার কারণ কী এবং ব্যবসায়ীদের দাবির যৌক্তিকতা কতটা—এসব বিষয় বিবেচনা করতে হবে।

এরপর সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে সরকার প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ ভোক্তাদের স্বার্থও বিবেচনায় রাখা হবে।

বোতলজাত সয়াবিনের সরবরাহ কমেছে

বর্তমানে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কিছুটা কমে যাওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে।

সরবরাহ কমে যাওয়ায় এর প্রভাব সরাসরি ভোক্তাদের ওপর পড়ছে। বাজারে কোনো কোনো ক্ষেত্রে তেল পেতে ভোক্তাদের সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এই পরিস্থিতির মধ্যেই ব্যবসায়ীরা ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর দাবি তুলেছেন।

তবে সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে মূল্যবৃদ্ধির কোনো যৌক্তিক সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা যাচাই না করে দাম বাড়াতে রাজি নয় সরকার।

ব্যবসায়ীদের দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে

ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর দাবির বিষয়ে সরকার এখনই চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে বাণিজ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে।

তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা তাঁদের দাবি জানাবেন, সরকার বিষয়টি পর্যালোচনা করবে। এরপর বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের স্বার্থের পাশাপাশি ভোক্তাদের সামর্থ্য ও বাজারের স্থিতিশীলতার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ত্রী বলেন, সব দিক বিবেচনা করেই যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ভোক্তার ওপর বাড়তি চাপ না দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ

ভোজ্যতেল মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য। ফলে এর দাম বাড়লে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচে সরাসরি প্রভাব পড়ে।

বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্য আয়ের পরিবারগুলোর জন্য ভোজ্যতেলের দাম বাড়ার প্রভাব বেশি হতে পারে। তাই মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাজারের বাস্তব পরিস্থিতি যাচাই করা জরুরি।

বাণিজ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে এ বিষয়টিই গুরুত্ব পেয়েছে। তাঁর মতে, কোনো পক্ষের দাবির ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে দাম বাড়ানো ঠিক হবে না।

বাজার পরিস্থিতি ও সরবরাহ ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন

ভোজ্যতেলের দাম নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে কি না, তা দেখা প্রয়োজন।

বাজারে তেলের সরবরাহ কমে গেলে তার কারণ খুঁজে বের করতে হবে। সরবরাহে কোনো বাস্তব সমস্যা থাকলে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি বাজারে পর্যাপ্ত পণ্য পৌঁছাচ্ছে কি না, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

অন্যদিকে কৃত্রিমভাবে সরবরাহ কমিয়ে বাজারে মূল্যবৃদ্ধির পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে কি না, সেটিও নজরে রাখতে হবে।

সরকার বাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ

ভোজ্যতেলের দাম নিয়ে ব্যবসায়ীদের দাবি সরকারের নজরে এসেছে। তবে দাবিটি বাস্তবায়নের আগে সংশ্লিষ্ট সব বিষয় পরীক্ষা করার কথা জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পক্ষে যে কারণগুলো তুলে ধরা হবে, সেগুলোও যাচাই করা হবে।

বাজার পরিস্থিতি, সরবরাহ, ব্যবসায়ীদের খরচ এবং ভোক্তাদের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব—সবকিছু বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর ফলে শুধু ব্যবসায়ীদের দাবি নয়, বাজারের বাস্তব চিত্রের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কথা

এ সময় সাংবাদিকরা দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে জানতে চান।

জবাবে তিনি বলেন, দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব যাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের ওপর না পড়ে, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে।

বিনিয়োগের পরিবেশ যাতে কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি সরকার বিশেষভাবে নজরে রাখছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতে বিনিয়োগের পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ। দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যাতে আস্থা নিয়ে ব্যবসা ও বিনিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন, সে বিষয়ে সরকার নজর রাখছে।

বিনিয়োগের পরিবেশ নিয়ে সরকারের নজর

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিনিয়োগের গুরুত্ব রয়েছে। নতুন শিল্প স্থাপন, ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান তৈরিতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ভূমিকা রাখে।

তাই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কারণে বিনিয়োগ কার্যক্রম যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন

এর আগে বুধবার সকালে বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে একটি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নদীতীর রক্ষা কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

‘সুরমা-কুশিয়ারা নদী অববাহিকার উন্নয়ন এবং বন্যা ও সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সিলেট সদরের সুরমা নদীর ডানতীরের কানিশাইলে নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজের উদ্বোধন করা হয়।

নদীতীর রক্ষার এই কাজের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীভাঙন ও বন্যাজনিত ঝুঁকি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পটির আওতায় নদী অববাহিকার উন্নয়ন এবং পানি সম্পদের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার বিষয়েও কাজ করা হচ্ছে।

নদীতীর রক্ষা ও পানি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব

সিলেট অঞ্চলে নদী ও জলাশয়ের সঙ্গে মানুষের জীবন ও অর্থনীতি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানি এবং নদীর স্রোতের কারণে বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন ও বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়।

এ কারণে নদীতীর সুরক্ষা এবং পানি ব্যবস্থাপনা উন্নত করা গুরুত্বপূর্ণ।

কানিশাইলে নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজের উদ্বোধনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকায় নদীভাঙন রোধ ও অবকাঠামো সুরক্ষায় একটি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে সুরমা-কুশিয়ারা নদী অববাহিকার সামগ্রিক উন্নয়নের মাধ্যমে বন্যা ও পানি ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার লক্ষ্য রয়েছে।

বাজার স্থিতিশীল রাখার চ্যালেঞ্জ

ভোজ্যতেলের বাজারে সরবরাহ ও দাম—দুটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সরবরাহ কমে গেলে বাজারে স্বাভাবিকভাবেই চাপ তৈরি হয়। আবার সরবরাহ কমার সুযোগে দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়লে ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে।

এ কারণে বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।

বাণিজ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, সরকার এ বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিতে চায়।

অর্থাৎ ব্যবসায়ীদের দাবি সরাসরি গ্রহণ না করে বাজারের বাস্তব পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নিত্যপণ্যের বাজারে নজরদারি প্রয়োজন

ভোজ্যতেলের পাশাপাশি অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতির ওপরও নিয়মিত নজর রাখা প্রয়োজন।

কোনো পণ্যের সরবরাহ কমে গেলে বা দাম বাড়লে এর কারণ চিহ্নিত করা জরুরি। সরবরাহে প্রকৃত সমস্যা থাকলে তা সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।

আবার বাজারে কোনো ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হলে তা দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াও জরুরি।

ভোজ্যতেলের দাম নিয়ে সরকারের বর্তমান অবস্থান থেকেও বাজার পরিস্থিতি যাচাইয়ের গুরুত্ব স্পষ্ট হয়েছে।

ব্যবসা ও ভোক্তা—দুই পক্ষের স্বার্থ

ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ী ও ভোক্তা—দুই পক্ষের স্বার্থ বিবেচনা করা প্রয়োজন।

ব্যবসায়ীদের জন্য পণ্য আমদানি, পরিবহন, সংরক্ষণ ও বিপণনের ব্যয় রয়েছে। অন্যদিকে ভোক্তাদের জন্য ভোজ্যতেল একটি অপরিহার্য নিত্যপণ্য।

তাই কোনো পরিবর্তনের আগে সংশ্লিষ্ট সব খরচ ও বাজার পরিস্থিতি যাচাই করা প্রয়োজন।

বাণিজ্যমন্ত্রীও জানিয়েছেন, ব্যবসায়ীদের দাবির বিষয়ে সরকার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেবে।

তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নয়, যাচাই করে সিদ্ধান্ত

ভোজ্যতেলের মূল্য নিয়ে বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের অবস্থান হলো—হঠাৎ করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।

ব্যবসায়ীদের দাবি, বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতি এবং ভোক্তাদের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব—সব বিষয় পর্যালোচনা করার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর ফলে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হবে কি না, সে বিষয়ে এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি।

বাণিজ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে সরকার এ বিষয়ে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেবে।

সামনে বাজার পরিস্থিতিই মূল বিষয়

ভোজ্যতেলের বাজারে আগামী দিনে সরবরাহ পরিস্থিতি কেমন থাকে এবং ব্যবসায়ীদের দাবির পেছনে কী ধরনের বাস্তব কারণ রয়েছে, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ।

সরবরাহ স্বাভাবিক করা গেলে বাজারে চাপ কমতে পারে। অন্যদিকে সরবরাহে প্রকৃত সমস্যা থাকলে তা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

সব মিলিয়ে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর দাবিতে এখনই সাড়া না দিয়ে বাজারের বাস্তব পরিস্থিতি যাচাইয়ের পথেই এগোচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কারণে দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়েও নজর রাখা হচ্ছে।

সিলেটে উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধনের পাশাপাশি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বাজার নিয়ন্ত্রণ ও বিনিয়োগ পরিবেশ—দুই ক্ষেত্রেই সরকারের সতর্ক অবস্থানের কথা উঠে এসেছে।

image_print
Spread the love
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted